শুক্রবারের (২৪ ই এপ্রিল, ২০২৬) কালবৈশাখী ঝড়, বৃষ্টিপাত ও তাপপ্রবাহ পূর্বাভাস
আজ শুক্রবার বিকেল ৫ টার পর থেকে আগামীকাল শনিবার সকাল ৬ টার মধ্যে বাংলাদেশের কোন জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। তবে সকাল ৬ টার পর থেকে সকাল ১০ টার মধ্যে রংপুর বিভাগের উত্তর ও পূর্ব দিকের ৩/৪ টি জেলা (পন্বচগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা), ময়মনিসংহ বিভাগের শেরপুর জেলা এবং সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার উপরে হালকা বজ্রপাত সহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টি অল্প কিছু সম্ভাবনা রয়েছে।
=========================================
শুক্রবারের তাপ-প্রবাহ আপডেট ও শনিবারের তাপ-প্রবাহ পূর্বাভাস
=========================================
আজ শুক্রবার (২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬) দুপুর ৩ টার সময় দেশের ৫ টি বিভাগের উপরে তাপ-প্রবাহ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দুপুর ৩ টার সময় পুরো দেশের মধ্যে রাজশাহী জেলায় সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ দুপুর ৩ টার সময় ঢাকা শহরে ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবারও দেশের ৫ টি বিভাগের (সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া অন্য সকল বিভাগ) উপর দিয়ে তাপপ্রবাহ অতিক্রম করার আশংকা করা যাচ্ছে। চলমান এই তাপ-প্রবাহ আগামীকাল শনিবার থেকে কমা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বেশিভাগ জেলার উপরে আগামী রবিবার পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার আশংকা করা যাচ্ছে। আগামী সোমবার থেকে তাপ-প্রবাহের তীব্রতা দ্রুত কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
========================================
পরবর্তী কালবৈশাখী ঝড় শুরু ২৬ শে এপ্রিল থেকে।
========================================
আগামী ২৬ শে এপ্রিল, রবিবার থেকে আবারও কালবৈশাখী ঝড় শুরুর আশংকা করা যাচ্ছে। ২৬ শে এপ্রিল রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিং বিভাগে; ২৭ শে এপ্রিল সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে এবং ২৮ শে এপ্রিল থেকে ৩০ শে এপ্রিল পর্যন্ত পুরো দেশের উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রমের আশংকা করা যাচ্ছে।
==============================
আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে শুরু করে ৫ মে পর্যন্ত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি পর্বত এলাকায়—বিশেষ করে চেরাপুঞ্জি অঞ্চল—এবং বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার ওপর প্রায় প্রতিদিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এর ফলে সিলেট বিভাগের নদ-নদীগুলোতে পাহাড়ি ঢল নামতে পারে এবং হাওর অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
কারণ ২৮ এপ্রিলের পর হাওর এলাকার বিলগুলো বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

